পোস্টগুলি

আগস্ট ৩০, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

রিকশা- ইসহাক নাজির

ছবি
টাকার বিনিময়ে মানুষ টেনে নেওয়ায় আত্মনিবেদিত 'মানুষগুলো'র মনোঃতত্ত্ব কখনো কেউ বুঝতে চেয়েছে কিনা জানা দরকার। কতোটুকু কষ্টে জীবন যাপিত হলে, জনে জনে টেনে নেয়ার কাজ করে মানুষ , হুটহাট করেই তা বোঝা যায় না। মাপা যায় না তাদের দুঃখ কতো,কষ্ট কতো! কতো মানুষের চেয়ে তারা ঠিক কতোটুকু সুখী কিংবা তাদের সুখের পরিমাণ কতো!!  এই শ্রেণীর লোকদের দুঃখ কিছুটা হলেও আঁচ করতে পারি,যখন তাদের মধ্যে দেখি নিজের কাউকে। বাবার সমবয়েসীদের মধ্যে যেনো বাবাকেই দেখতে পাই,দাদার সমবয়েসীর মধ্যে দেখি দাদাকে। মৃত্যুর ডাকে হারিয়ে যাওয়া আমার নানাভাইকেও দেখতে পাই কারো কারো মধ্যে। তখন চলন্ত তার রিকশা থেকেও নেমে পড়তে ইচ্ছে জাগে- "আমার আপনেরা আমাকে বহন করছে"  ভেবে। কাড়ি কাড়ি টাকা নেই আমার। নিজের গাড়িতে ওঠার সৌভাগ্য যে এখনো চেয়ে আনা হলো না রাব্বে কারীম হতে। তাই গাড়ি না থাকায় রিকশাই আমার সৌখিনতা। তবু  আমি আরাম করে বসে থাকবো আর  একজন ন্যুব্জমান বয়োবৃদ্ধ কী করে আমাকে টেনে নেবেন-এই প্রশ্নে সদাই দ্বিধাগ্রস্ত হই। কখনো কখনো উঠিও। দশটা টাকা বাড়িয়ে দেই। খুশি হয়েই দেই। আনন্দ লাগে,তৃপ্ত হই। এই অতিরিক্ততা আমার বেহেশতের দুয়োর উন্...