পোস্টগুলি

জুলাই ১৮, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

গল্পঃ আবিরা ও একটু জমিন

ছবি
এক] শরতের থমথমে বিষণ্ন আকাশ। মেঘে মেঘে গলাগলি করে যেনো একঘরে হয়ে আছে। একটু পরপর গুরুম গুরুম শব্দে বৃষ্টি ভাঙার জানান দিয়ে যাচ্ছে নীলাকাশ। ঘরে ফেরার তাড়ায় ব্যাকুল ভঙ্গিতে ছোটাছুটি করছে লোকজন। আজ শুধু তাড়া নেই 'আবিরা'র। এই তো ক'দিন আগেও একটা ঠিকানা ছিলো তার। বাস্তুহারা হওয়া সত্ত্বেও মাথা গোঁজার এক অনিশ্চিত অথচ প্রচ্ছন্ন ছায়া ছিলো। নিজেকে পুড়িয়ে যেমন দেবদারু বৃক্ষটা, আরামপ্রত্যাশী মানুষকে নিজ ছায়া বিলিয়ে চলে, ঠিক তেমনি রোদ্রের প্রখরতা,বাদলা দিনের তাণ্ডব আর সহস্র চোখ রাঙানী উপেক্ষা করে আবিরাকে তার মায়া বিতরণ করতো তার স্নেহময়ী মা; আলেয়া খন্দকার। তিনি বড্ড অবেলায় ছেড়ে গেছেন নয় বছরের আবিরাকে। চার বছরের আবরারকে সপে গেছেন তার হাতে। আজ মায়ের সর্বশেষ সম্বল আবরারকে বুকে আঁকড়ে ধরেই পথে পথে ঘুরছে আবিরা। পায়ে ছেঁড়া চটি,গায়ে একমাত্র জামা আর পেটে ক্ষুধার অন্ন তালাশে হন্যে হয়ে ঘুরছে সে। ক্ষুধার্ত আবিরা; ক্ষুধার্ত নিষ্পাপ আবরার। হাটতে হাটতে এক অভিজাত রেস্তোরার সামনে এসে দাঁড়িয়েছে সে। বড় করুণ স্বরে হোটেলবয়কে বললো,"ভাইয়া! আমি আর আমার ছোটভাই সারাদিন কিছু খাইনি। কিছু খেতে দেবেন"? হোটেলব...