পোস্টগুলি

জুলাই ৩০, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

রোজনামচাঃ জোৎস্নার চাদরে রাতের প্রেমময়তা...

ছবি
নদীর বুকে, পূর্ণ চাঁদের রাতে, উচ্ছল জলাধারে একটু একটু ভেসে যাচ্ছে আমাদের কাফেলা। এই জলযাত্রায় পৃথিবীর আকাশে আজ পূর্ণিমা রাত, রাতের গায়ে চাঁদনী বন্দনা এবং জোৎস্নায় মাখামাখি আঁধার জলধি। যেন জোৎস্নার আলোয় ভেসে যাচ্ছে নদীর গায়ের যত ময়লা! এ এক অদ্ভুত রোমাঞ্চ; অন্যতম উন্মাদনা। নদীর বুকে জোৎস্নাস্নাত চাঁদ আমার মনের ভেতর অদ্ভুত অনুভূতিকে উস্কে দিচ্ছে। এক বাচ্চামো ভাবনায় মুখিয়ে আছে আমার পুরোটা সময়। জীবনের অবুঝ বেলায় ঠিক যেভাবে ভাবতাম- “আমি যেখানে যাই, সেখানেই যায় ঐ চাঁদ”! চাঁদকে আজও আমার সাথে যেতে দেখে ভাবছি, আসলেই কি চাঁদ আমার সাথে সাথে চলছে? যেখানে যাচ্ছি সেখানেই যাচ্ছে? নাকি এ কোনো ভ্রম, জানিনা। সেই অবুঝ ভাবনা আমাকে আজও তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে। আজ রাতের এই পবিত্র অনুভূতি আর এ অবুঝ ভাবনা আমাকে আমার “বাচপ্যনা” মনে করিয়ে দিচ্ছে! আহা, কী পবিত্র ছিলো সেই দিনগুলো! দীর্ঘ তেরো বছর পরে আজকের লঞ্চযাত্রা। তেরো বছর আগের সেই যাত্রাও অবশ্য এতো দীর্ঘ ছিলো না। চাঁদপুরে এসে সেবার থামতে হয়েছিলো, কারণ চাঁদপুরই ছিলো আমাদের গন্তব্য। আজকের সফরে চাঁদপুর পেছনে ফেলে এসেছি সেই কখন! কেননা, গন্তব্যের টানে আমাদের এগোতে হবে বহুদ...

রোজনামচা

ছবি
প্রেসক্লাবের সাংবাদিকতা ক্লাস শেষে জুমা পড়তে গেলাম বাইতুল মুকাররম। উত্তর গেইটের আঙিনায় আসতেই দেখি বিশাল পুলিশি বহর। তাদের প্রহরায় মেইন গেইট বন্ধ রেখে চেকিং গেইট দিয়ে মুছুল্লিদের ভেতরে ঢুকতে হচ্ছে। বাইতুল মুকাররমে পড়া এ আমার দ্বিতীয় জুমা। এর আগে গতো সপ্তাহেই প্রথম পড়েছিলাম৷ তাই মিছিল বা গণসমাবেশের সাথে আমার বোঝাপড়াটা খানিকটু কম। একেবারে যে নেই তাও না৷ আসা হয় না আরকি! এই-ই যা! আর এজন্যই এখানকার পুলিশি প্রহরা দেখে ভেবে বসেছিলাম ভিন্ন কিছু। সহপাঠি-সুহৃদ সালমান বললো, মিছিল কিংবা গণসমাবেশে তারা নাকি প্রটেকশন হিসেবে থাকে। কথাটা খুব একটা মনপুত না হলেও ফেলে দিলাম না।  নামাজ পড়ে বের হতেই দেখি গেইট থেকে না'রা দিতে দিতে কেবলই বেরিয়েছে একদল তৌহিদী জনতা। তবে সেখানেই তাদেরকে পুলিশি বাঁধার সম্মুখীন হতে হলো। মুখে শ্লোগান, শরীরে জোশ আর বুকে ঈমানি চেতনা। একেকজনের না'রায় ছিলো একেকরকম উচ্ছ্বাস, যেনো জলোচ্ছ্বাসের মতোন। তবুও, কোনো প্রতিশ্রুত নেতৃত্ব নেই, কোনো উচ্চকিত বয়ান-বক্তব্য নেই- এভাবেই নামাজ শেষে হুট করে বেরিয়ে পড়াটা আমার কাছে কেমন যেন ঠেকলো।  আরও কাজ আছে আমার। একজন আসবেন। তার অপেক্ষায় মসজিদে ...