পোস্টগুলি

জুলাই ১১, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বুক রিভিউঃ মির্জা কাদিয়ানীঃ বদমায়েশির আঁতুড়ঘর

ছবি
বইঃ বেত্তমিজ লেখকঃ রশীদ জামীল গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স "খাতমে নাবুওয়াত"; ইসলামী আকিদার একটি অন্যতম মৌল ও প্রধান অনুষঙ্গ। বলতে গেলে,ঈমানিয়্যাতের প্রশ্নে যার শর্ত সর্বাগ্রে এবং সর্বোময়। সুবহে সাদিকের ন্যায় স্বচ্ছ ও পবিত্র এ অধ্যায়টি বিশ্বব্যাপী মুসলিম-হৃদে ভালোবাসার সর্বোচ্চে সংরক্ষিত। প্রাণোন্মাদনা ও আত্মতৃপ্তির উৎস। এতোদসত্ত্বেও কালের আবর্তন আর সময়ের ঘূর্ণিপাকে, যুগে যুগে অসাধু কিছু লম্পট ও বাটপার গোছের  মাথামোটা মাতালেরা প্রবৃত্তি-প্ররোচনায় পড়ে খাতমে নাবুওয়াতের ঝান্ডাকে দু' পায়ে দলবার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়ে পড়ে। এ তালিকার সবচেয়ে নিম্নস্তরের অথচ প্রধান ভূমিকা ছিলো 'মির্জা কাদিয়ানীর'। যদিও প্রতিশ্রুতই ছিলো," আনা খা-তামুন নাবিয়্যিন,লা-নাবিয়্যা বা'দী"। সে ছিলো "আ প্রোডাক্ট অফ ব্রিটিশ কামিউনিটি"। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ কোয়ার্টারে ভারতবর্ষে যখন ব্রিটিশদের আগ্রাসী অবস্থান নড়বড়ে হয়ে ওঠে,উলামায়ে হিন্দের তোপের মুখে পড়ে ব্রিটিশদের মাথাগোঁজার আকাশ সংকোচিত হয়ে যায় ও পায়ের নিচের মাটিও যখন সরে যেতে শুরু করে, তখন উলামায়ে হিন্দের " জিহাদ ফরজ...

দুপুরের কমলা রোদে হারাব একদিনঃ যেন সাহিত্য-সাগরে নাইতে নেমেছি

ছবি
বইঃ দুপুরের কমলা রোদে হারাব একদিন লেখকঃ কাজী সাইফুল ইসলাম হালের তুমুল জনপ্রিয় একজন লেখকের সামনে দাঁড়িয়ে আছি- বুঝতে পারিনি সেদিন। এবারের বইমেলায় পাঠকের চে' লেখকের আধিক্যতায় অন্য দশজন লেখকের মতোই মনে হয়েছিলো কাজী সাইফুল ইসলাম ভাইয়া-কে। প্রিয় বড় ভাই সাব্বির সা'দীকে অটোগ্রাফ দিয়ে চলে গেলেন কোনো এক অবসরে আড্ডা দেবার নিমন্ত্রণ করে। কিছু সাহিত্যপ্রেমির মুখে তাঁর লেখার প্রশংসা  শুনে পরিক্ষার ব্যস্ততায়- বলতে গেলে একরম রিস্ক নিয়েই হাতে নিলাম "দুপুরের কমলা রোদে হারাব একদিন"। এক বসায় শেষ করলে তো শেষই হয়ে যাবে, তখন হয়তো প্রিয় এ বইটিতে পরশ বুলিয়ে যাবে অন্য কোনো অচেনা আঙুল। আর কয়েক বসায় শেষ করলে হয়তো ভালোবাসার ঘ্রাণ লেগে থাকবে আমার আশেপাশে,বাতাসের গায়ে- এই ভেবেই কয়েক বসায় শেষ করা। বইয়ের সবকটি চরিত্রই জায়গামতো যথেষ্ট ছিলো। প্রত্যেকটি চরিত্রেরই উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিলো ঘটনার প্রবাহে। লেখকের লেখায় শব্দের গাঁথুনি, বাক্যের আবেদন ছিলো মনে লাগার মতো। ছিলো ব্যক্তিকেন্দ্রিক, সামাজিক এবং রাজনৈতিক অবক্ষয়ের বুদ্ধিবৃত্তিক পর্যালোচনা। সময়ের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, দ্বিধা- দর্শনের নিগুঢ় তা...

রাসূলকে (সা.) লেখা সেই ঐতিহাসিক চিঠি।

ছবি
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম “(নগণ্য অধম) ইসহাক-এর পক্ষ হতে মুহাম্মাদ আরাবী সা.এর নিবেদনে-” সালামুল্লাহি ওয়াসালাওয়াতুহু আলাইকা ইয়া রাসূলাল্লাহ… প্রিয়তম! চৌদ্দশো বছরের ব্যবধান আজ আপনার আমার মাঝে। অবারিত মরু-বালুকা আর সাগর-নদীর দূরত্ব দু'জনায়। এই ব্যবধান ও দূরত্বের পরম্পরা বিস্মৃত সালাম নিবেদন করছি। কলঙ্কিত এই অধম উম্মতের সালাম নিন! এই থমথমে মেঘের, শুভ্রাকাশের- শুভেচ্ছা নিন! নিশিথের বেশুমার তারকারাজি আর শরতের অঝোরধারা পরিমাণ দরূদ আপনার প্রতি-গ্রহণ করুন ইয়া নাবীয়্যাল আমীন! হে রাসূল! শত শত বছর পর অনেকটা অড়ম্বর করেই আজ আপনাকে আমার লিখতে বসা৷ লিখবো কী! নেফাকগ্রস্ত এই দিল আমার শোভন-মোহন বর্ণালী সব আয়োজনকেই ধূলিধূসর করে দিয়েছে। হৃদয়ান্দোলিত বর্ণাঢ্য শব্দ-বহর থেমে গেছে। দিলের ধারকান এবং প্রাণের কাহারবা নিথর-নির্লিপ্ত হয়ে গেছে। হয়ে যাবেই না কেনো? আপনার প্রভাব-প্রতিপত্তির জৌলুসে তো সেদিন গোটা জগতটাই মহাসমারোহে জোশে উঠেছিলো। আপনার আগমনী প্রহরে রইরই করে নেচে-গেয়ে উঠেছিলো চাঁদ-সেতারা। নির্বাক গাছপালার নিবেদন ছিলো নৈসর্গিক-ঈর্ষণীয়। কবি যে মিথ্যে বলেননি- “পুলকে শ্রদ্ধা-সম্ভ্রমে ওঠে ...