এমন দরদি মালী কোথায় পাব খুঁজে
রায়বেন্ডের তরে জীবনকাল ওয়াকফ করার জন্য নাম লেখালেন তিনি। বিবির কাছে অনুমতি চাইতে এসে বললেন, “আপনার হক আপনাকে সম্পূর্ণরূপে বুঝিয়ে দেওয়া আমার পক্ষে কখনোই সম্ভব না। তাই নিজের হক ছেড়ে দিয়ে আপনি আমায় যদি রায়বেন্ডের জন্য অনুমতি দিতেন, অনেক ভালো হতো”। কথাটা আনুমানিক এমনই ছিল। দীর্ঘ পীড়াপীড়ির পর্ব শেষে বিবি সাহেবার অনুমতি পাওয়া গেল শেষমেশ। স্বামীর হক ছেড়ে দেওয়ার কষ্ট তবুও হয়তো খচখচ করে যাচ্ছিল বিবি সাহেবার বুকে। এই অনুমতি যে আর সব অনুমতির ন্যায় সীমিত ও সামান্য নয়, এ যে জীবনকালব্যাপী, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। চূড়ান্ত হলো পরদিন সকালের নাশতা খেয়ে তিনি রায়বেন্ডের উদ্দেশে যাত্রা করবেন। সেই মোতাবেক সকালের নাশতার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। একইসাথে ঘরের খোঁজে আজীবনের জন্য ঘরহীন হবার তাড়া। এমনই সময় নাশতার জন্য কালবিলম্ব না করে এই মুহূর্তে যেন তিনি বেরিয়ে পড়েন, এটাই হলো বিবির আকুতি। ঠিক বোঝা গেল না এর পেছনকার যথার্থ কারণ। একি স্বামীকে চিরতরে ঘর থেকে বের করে দেবার, নাকি স্বামীর স্বপ্নে নিজেকে সাজিয়ে নেবার? কেন এ আকুতি? গতরাতে যাকে মানাতে হাজারো কাঠখড় পোহাতে হলো, সেই তিনিই কিনা সকালে উঠে ...